ড্রাগন ফল
এক প্রজাতির ফল।এটি এক ধরণের ফণীমনসা প্রজাতির ফল।এই ফল মুলত ড্রাগন ফল হিসেবে পরিচিত।যার বৈজ্ঞানিক নাম Hylocereus Undatus. ড্রাগনের মত দেখতে এর শরীর।যার কারণে এর নাম ড্রাগন ফল।ড্রাগন ফলের পুষ্টিগুণ
ড্রাগন বিদেশি ফল হলে ড্রাগন ফলের সতেজ করা স্বাদ ও পুষ্টিগুণের জন্য বাংলাদেশেও এই ফল চাষ হচ্ছে।আর পুষ্টিগুণ কমলা বা গাজরের চাইতে বেশি।ক্যান্সার ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধেও ড্রাগন ফল ভূমিকা রাখে।এই ফল খেলে বয়স বাড়ায় চিহ্ন দূর করবে।
প্রতি ১০০গ্রাম ড্রাগন ফলে রয়েছে-
পানি - ৮০-৯০গ্রামশকরা - ৯-১০গ্রাম
প্রোটিন - ০.১৫-০.৫গ্রাম
আঁশ - ০.৩৩-০.৯৯গ্রাম
খাদ্যশক্তি - ৩৫-৫০কিলোক্যালরি
চর্বি - ০.১০-০.৬গ্রাম
ক্যালসিয়াম - ৬-১০মি.গ্রাম
আয়রন - ০.৩০-০.৭মি.গ্রাম
ফসফরাস - ১৬-৩৫মি.গ্রাম
ক্যারোটিন - ভিটামিন-এ থায়ামিন,রিবোফ্লাবিন সামান্য
ভিটামিন-বি-৩ - ০.২-০.৪মি.গ্রাম
ড্রাগন ফল খেলে যেসব উপকার হয়:
বয়সের ছাপ দূর করেত্বককে দৃঢ় রাখতে শরীরে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের দরকার হয়।এগুলো ক্যান্সারের সাথেও লড়াই করে।ভিটামিন-সি এর উপস্থিতির কারণে এটিকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের বড় উৎস হিসেবে মনে করা হয়।
ক্যান্সার প্রতিরোধ
২০১১ সালে এশিয়া প্যাসিফিক জার্নাল অব ক্যান্সার প্রিভেনশনে গবেশণায় বলা হয়,প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে’লাইকেপেনে’নামক পুষ্টি উপাদান গ্রহণ না করলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে।ড্রাগনে আরও রয়েছে ক্যারোটিন যা শরীরে থাকা টিউমার ধ্বংস করত সাহায্য করে।
ডায়াবেটিক প্রতিরোধ
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসার থেকে ডায়াবেটিক প্রতিরোধে খুবই কাযকরী এই ফলটি।গভবতী মায়েরাও খেতে পারেন সুস্বাদু এই ড্রাগন ফলটি।
হাট ভাল রাখে
খারাপ কোলেস্টেরল কমানোর মাধ্যমে হৃদযন্ত্র ভাল রাখে।ড্রাগন ফল খেলে উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমায়।
হজমে সহায়ক
প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ড্রাগন ফল রাখা ভাল।ড্রাগন ফলে আঁশের পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।যার ফলে পরিপাক প্রক্রিয়া ঠিকভাবে কাজ করে য়া বদহজমেও কাযকরী।এছাড়াও ড্রাগন ফলটি ওজন কমাতেও ভীষণ সাহায্য করে।
নিয়মিত এই বিদেশি ফলটি খেলে আপনার স্বাস্থ্য ভাল রাখবে।
বাংলাদেশের রাঙামাটির পাহাড়ি অঞ্চলে ড্রাগন ফলের আবাদ বেশ বেড়েছে।বাগানের এই ফলটি ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বাজারে বিক্রি হলেও শহরে প্রতি কেজিতে আরেকটু বেশি।

Comments
Post a Comment